বিশেষ পোস্ট ১২০

জন্মদিন পালন করা সুন্নাত

অনেক গাধা দাবি করে, ইসলামে নাকি জন্মদিন পালন করা হারাম। তাহলে জুমুয়ার দিন পালন করা কি? অথচ এ গাধাগুলো ঠিক ঠিক জুমার দিনকে পালন করে থাকে। অথচ এ বোকাগুলো জানে না, জুমার দিনটি হচ্ছে প্রথম নবী হযরত আদম আলাইহি সালামে উনার সম্মানিত সৃষ্টি দিবস। হাদীস শরীফেএ ইরশাদ মুবারক হয়েছে-“সর্বাপেক্ষা উত্তম ও বরকতময় দিন হচ্ছে জুমার … Continue reading "জন্মদিন পালন করা সুন্নাত"

১২ রবিউল আউয়াল শরীফ ই নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।

অনেকে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করতে গিয়ে বলে থাকে যে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু উনার বিলাদত(জম্ম) শরীফ উনার তারিখ ১২ রবিউল আউয়াল নাকি ভুল। তাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলতে চাই যে, ১২ তারিখ ই হচ্ছে সহিহ এবং গ্রহনযোগ্য মত এবং অন্যান্য মতগুলোই মূলত বাতিল মত । … Continue reading "১২ রবিউল আউয়াল শরীফ ই নূরে মুজাসসাম,হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।"

ঈমানদারদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ তম খুশির দিন হচ্ছে ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ।

অনেক আলেম নামধারী জাহিল প্রকৃতির লোকেরা বলে থাকে ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছাল( ইন্তেকাল) শরীফ এর দিন, তাই এই দিন খুশি প্রকাশ করা জাবে না বরং তারা বলে থাকে এই দিনে নাকি দু:খ প্রকাশ করতে হবে!! নাউজুবিল্লাহ। মূলত এই ধরনের আলেম নামধারী জাহেল প্রকৃতির যে সকল লোক নূরে … Continue reading "ঈমানদারদের জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ তম খুশির দিন হচ্ছে ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ।"

সম্মানিত দ্বীন ইসলামে দিবস পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক, সে দিবসসূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিবস হচ্ছে ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবস।

কিছু বাতিল ও গোমরাহ ফেরকার লোকেরা বলে থাকে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে নাকি দিবস পালন করা হারাম! বলার বিষয় হল যদি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে দিবস পালনের বিধান হারাম-ই হয়ে থাকে তাহলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর শরীফ বা পবিত্র শবে ক্বদর শরীফ তালাশ করতে কেন বললেন? … Continue reading "সম্মানিত দ্বীন ইসলামে দিবস পালন করা মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ মুবারক, সে দিবসসূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিবস হচ্ছে ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ দিবস।"

প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আপনারা, প্রত্যেক রাজনৈতিক দল দলীয় বিভিন্ন দিবসকে কেন্দ্র করে প্রোগ্রাম করে থাকেন, যেমন: – কেউ ১৭ই মার্চ পালন করেন, – কেউ ১৫ই আগস্ট পালন করেন, – কেউ ১৮ই অক্টোবর পালন করেন, – কেউ ১৯শে জানুয়ারি পালনে করেন, – কেউ বা ২০শে নভেম্বর পালন করেন। … Continue reading "প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি"

সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়ে প্রমাণ করে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন সত্যিই উত্তম কাজ

প্রতি বছর সৌদি গ্রান্ড মুফতী আব্দুল আজিজ আশ-শেইখ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনরি বিরুদ্ধে ফতওয়া দেয়। কিন্তু সউদী গ্রান্ড মুফতীর ফতওয়া কতটকু গ্রহণযোগ্য ? আসুন তার অন্যান্য ফতওয়াগুলো দেখি- -(১) ইসরাইল-বিরোধী মিছিল করা সম্পূর্ণ হারাম। -(২) ইয়াযিদের বিরুদ্ধে ইমাম হুসাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এর অবস্থান ছিল হারাম। (না্‌উযুবিল্লাহ) -(৩) সৌদি আরবের … Continue reading "সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের বিরুদ্ধে ফতওয়া দিয়ে প্রমাণ করে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন সত্যিই উত্তম কাজ"

যারা বিদয়াতী ও বাতিল শুধুমাত্র তারাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করে থাকে ।

বর্তমানে যারা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ‍বিরুধীতা করে থাকে তারা মূলত বিদয়াতী। ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রথম বিরোধীতা শুরু হয় সউদ পরিবার যখন ১৯৩২ সালে জাজিরাতুল আরবের ক্ষমতা দখল করে তখন থেকে। উল্লেখ্য ব্রিটিশ গোয়েন্দা টিই লরেন্সের সহায়তায় মরু ডাকাত সউদ পরিবার (সউদ … Continue reading "যারা বিদয়াতী ও বাতিল শুধুমাত্র তারাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করে থাকে ।"

মুসলমান ও সন্ত্রাসীর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে পবিত্র ‘সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ’ তথা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সুমহান বেলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার সুমহান সম্মানার্থে উনার শান মুবারক এ খুশি মুবারক প্রকাশ করা।

বর্তমানে কাফির-মুশরিকদের এজেন্ট মুসলমান নামধারী সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে  গোয়েন্দাবাহিনী-প্রতিরক্ষা বাহিনী খুব চিন্তার মধ্যে আছে। কিন্তু খুব সহজে হিসেব করলে একজন মুসলমান ও সন্ত্রাসীর মধ্যে তফাৎ হচ্ছে পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন। সুবহানাল্লাহ। বর্তমানে সারা বিশ্বে যারা সন্ত্রাসীপনা করে সম্রাজ্যবাদীদের আক্রমণের মওকা তৈরী করছে তারা প্রায় সবাই ওহাবী-সালাফি আকিদ্বাভূক্ত … Continue reading "মুসলমান ও সন্ত্রাসীর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে পবিত্র ‘সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ’ তথা হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার সুমহান বেলাদত শরীফ উপলক্ষে উনার সুমহান সম্মানার্থে উনার শান মুবারক এ খুশি মুবারক প্রকাশ করা।"

হিন্দুরা মুসলমানদের উৎসবে বোনাস নেয় না, মুসলমানরা হিন্দুর উৎসবে বোনাস নেবে কেন ?

হিন্দুরা মুসলমানদের উৎসবে বোনাস নেয় না, মুসলমানরা হিন্দুর উৎসবে বোনাস নেবে কেন ? বাংলাদেশর মুসলমানরা ধর্মীয় উৎসবে বোনাস পায় দুটি। একটি রোজার ঈদে, অন্যটি কোরবানীর ঈদে। অপরদিকে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানরা রোজার ঈদ বা কোরবানীর ঈদ উপলক্ষে কোন বোনাস পায় না। পায় দূর্গা পূজা, বৌদ্ধ পূর্নিমা কিংবা ক্রিসমাস উপলক্ষে। তবে বোনাসের অর্থে সমতা আনার ক্ষেত্রে দূর্গা … Continue reading "হিন্দুরা মুসলমানদের উৎসবে বোনাস নেয় না, মুসলমানরা হিন্দুর উৎসবে বোনাস নেবে কেন ?"

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন সর্বশ্রেষ্ঠ তম ঈদ যেখানে রয়েছে দায়িমী ছলাত মুবারক, যা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পাঠ করেন।

বিভিন্ন বাতিল ফিরকার লোকেরা বলে থাকে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ তথা সকল ঈদের শ্রেষ্ঠ ঈদ, ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার কেমন ঈদ যেখানে ছলাত নাই খুতবা নাই?  যেহেতু সকল ঈদের সেরা ঈদ সেহেতু ছলাত ডাবল হতো, খুতবাও ডবল হতো। কিন্তু ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ(ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঈদ হলে ছলাত, খুতবা নেই কেন?? আমরা বলতে … Continue reading "পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন সর্বশ্রেষ্ঠ তম ঈদ যেখানে রয়েছে দায়িমী ছলাত মুবারক, যা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি পাঠ করেন।"