বিশেষ পোস্ট ১২০

পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ব্যানার, চিঠিপত্র ইত্যাদির শুরুতে ৭৮৬ (বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম) লিখার ক্ষেত্রে শরয়ী ফায়সালা কি?

পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ব্যানার, চিঠিপত্র ইত্যাদির শুরুতে ৭৮৬ (বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম) লিখার ক্ষেত্রে শরয়ী ফায়সালা ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮ ﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮ ﺣﻴﻢ সমস্ত প্রশংসা সেই মহান আল্লাহ্ পাক রাব্বুল আ’লামীন উনার দরবারে, যিনি অসংখ্য মাখলূকাতের মধ্যে একমাত্র মানব জাতিকে তথা মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা দান করেছেন অর্থাৎ “আশরাফুল মাখলুকাত” করেছেন। সর্বোত্তম আখলাকের অধিকারী আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ … Continue reading "পোস্টার, হ্যান্ডবিল, ব্যানার, চিঠিপত্র ইত্যাদির শুরুতে ৭৮৬ (বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম) লিখার ক্ষেত্রে শরয়ী ফায়সালা কি?"

জন্মোৎসব পালন মূলত একটি পৌত্তলিক রীতি। কোনো ধর্মগ্রন্থ বা নাবীদের শিক্ষায় এর অস্তিত্ব নেই।

বিভিন্ন বাতিল ফিরকার লোকেরা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করতে গিয়ে বলে থাকে ‘জম্মোৎসব পালন করা নাকি পৌত্তলিক রীতি এবং কোনো ধর্মগ্রন্থ বা নাবীদের শিক্ষায় নাকি এর কোন অস্তিত্ব নেই। !!’ নাউযুবিল্লাহ। অথচ জন্মোৎসব পালন বা জন্মদিন উৎযাপন মোটেও কোন পৌত্তলিক রীতি নয়। বরং পবিত্র কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ … Continue reading "জন্মোৎসব পালন মূলত একটি পৌত্তলিক রীতি। কোনো ধর্মগ্রন্থ বা নাবীদের শিক্ষায় এর অস্তিত্ব নেই।"

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে। কারণ কিয়ামতের ময়দানে এসবের হিসেব নেওয়া হবে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের নয়।

ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুধীতাকারীরা বলে থাকে “পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে। কারণ কিয়ামতের ময়দানে এসবের হিসেব নেওয়া হবে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের নয়।” তাদেরকে বলতে চাই পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি … Continue reading "পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে। কারণ কিয়ামতের ময়দানে এসবের হিসেব নেওয়া হবে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের নয়।"

আযান, ইক্বামত কিংবা খুতবায় এমন কোন সময় মহান আল্লাহ পাক উনার নাম উচ্চারিত হয়না যখনই তার পরপরই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না উচ্চারিত হয়। শ্রদ্ধা, ভালবাসা প্রদর্শন এবং উনার স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এটাই যথেষ্ট, এটাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে উৎসাহব্যঞ্জক। আলাদা করে প্রশংসা করার জন্য মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার দরকার নেই

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরবিরুধীতা কারীরা বলে থাকে , “আযান, ইক্বামত কিংবা খুতবায় এমন কোন সময় মহান আল্লাহ পাক উনার নাম উচ্চারিত হয়না যেখানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না উচ্চারিত হয়। শ্রদ্ধা, ভালবাসা প্রদর্শন এবং উনার স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এটাই যথেষ্ট, এটাই … Continue reading "আযান, ইক্বামত কিংবা খুতবায় এমন কোন সময় মহান আল্লাহ পাক উনার নাম উচ্চারিত হয়না যখনই তার পরপরই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক না উচ্চারিত হয়। শ্রদ্ধা, ভালবাসা প্রদর্শন এবং উনার স্মৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এটাই যথেষ্ট, এটাই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে উৎসাহব্যঞ্জক। আলাদা করে প্রশংসা করার জন্য মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার দরকার নেই"

সাওম তথা রোযা হল ঈদের বিপরীত। রোযা পালন করলে ঈদ পালন করা যায় না, ঈদ ও রোযা কখনো এক সাথে হয় না। হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিনে রোযা রাখার কথা। কিন্তু রোযা না রেখে এর বিপরীতে ঈদ পালন করার পিছনে কি যুক্তি থাকতে পারে?

বিভিন্ন বাতিল ও গোমরাহ ফেরকার লোকেরা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করতে গিয়ে বলে থাকে, রোযা নাকি ঈদ এর বিপরীত এবং নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি উনার জম্মদিনে রোযা রেখেছেন আর আমরা ঈদ পালন করাই নাকি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুধীতা করি !! প্রকৃত বিষয় হল, সাওম … Continue reading "সাওম তথা রোযা হল ঈদের বিপরীত। রোযা পালন করলে ঈদ পালন করা যায় না, ঈদ ও রোযা কখনো এক সাথে হয় না। হাদীসে এসেছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্মদিনে রোযা রাখার কথা। কিন্তু রোযা না রেখে এর বিপরীতে ঈদ পালন করার পিছনে কি যুক্তি থাকতে পারে?"

খ্রিস্টানদের ক্রিসমাসের মতো ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামে বিধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করা হচ্ছে।

এ কথা একান্তই অবান্তর যে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিন্দুদের জন্মাষ্টমী, বৌদ্ধদের বৌদ্ধপূর্ণিমা বা খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। বরং মুসলমান উনাদের থেকেই অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন দেখেই এ সমস্ত যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য জাতিরা তাদের কথিত জন্মোৎসবগুলো চালু করেছে। পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু … Continue reading "খ্রিস্টানদের ক্রিসমাসের মতো ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামে বিধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করা হচ্ছে।"

বৌদ্ধদের বৌদ্ধপূর্ণিমার মতো ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামে বিধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করা হচ্ছে।

এ কথা একান্তই অবান্তর যে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিন্দুদের জন্মাষ্টমী, বৌদ্ধদের বৌদ্ধপূর্ণিমা বা খ্রিস্টানদের ক্রিসমাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। বরং মুসলমান উনাদের থেকেই অর্থাৎ পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন দেখেই এ সমস্ত যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য জাতিরা তাদের কথিত জন্মোৎসবগুলো চালু করেছে। পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু … Continue reading "বৌদ্ধদের বৌদ্ধপূর্ণিমার মতো ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামে বিধর্মীয় সংস্কৃতি পালন করা হচ্ছে।"

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে। পহেলা বৈশাখ উৎসব উপলক্ষে মূল বেতনের ২০ শতাংশ বোনাস পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে- সারা বছরে এত উৎসব থাকার পরেও পহেলা বৈশাখে কেন এই বোনাস দেয়া হচ্ছে? বলা হচ্ছে, পহেলা বৈশাখ সার্বজনীন উৎসব। নাউযুবিল্লাহ! … Continue reading "৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।"

বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই একমাত্র সার্বজনীন উৎসব। (সুবহানআল্লাহ)

এক শ্রেণীর লোক বলে থাকে পহেলা বৈশাখ একটা সার্বজনীন উৎসব. তারা আরো বলে ধর্ম যার যার উৎসব নাকি সবার। তাদের যুক্তি সম্পুর্ন মনগড়া ।  এমন উৎসব মুসলমানগন উনাদের জন্য কথনোই পালনীয় নয় যা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কেলাপ। ইাতহাস থেকে জানা যাই আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় … Continue reading "বৈশাখী পূজা নয়, ঈদে মিলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই একমাত্র সার্বজনীন উৎসব। (সুবহানআল্লাহ)"

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম একটি পরিপূর্ণ শরীয়ত সম্মত ও নিয়ামতপূর্ণ আমল

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক আমল যে আমলে অগনিত নিয়ামতের সম্ভার রয়েছে। ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের মাধ্যম দিয়ে মানুষ এসকল নেক কাজ করার সুযোগ ও বিশাল নিয়ামত লাভ করতে পারে। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে , مَنْ سَنَّ فِي الإِسْلاَمِ سُنَّةً حَسَنَةً فَلَهُ أَجْرُهَا وَأَجْرُ مَنْ عَمِلَ … Continue reading "সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম একটি পরিপূর্ণ শরীয়ত সম্মত ও নিয়ামতপূর্ণ আমল"