জগৎ বিখ্যাত যেসব ইমাম মুস্তাহিদ রহমতুল্লাহি আলািইহিমগন পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন

জগৎ বিখ্যাত যেসব ইমাম মুস্তাহিদ রহমতুল্লাহি আলািইহিমগন পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন  এবং কিতাব লিখেছেন উনাদের তালিকা
আমরা ইতিপূর্বে কুরআন শরীফ, হাদীস শরীফ উনার অকাট্য দলীল আদীল্লার মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার হুকুম,ফযীলত, গুরুত্ব প্রমান করেছি !
আজকে আমরা দেখবো জগৎ বিখ্যাত ইমাম, মুস্তাহিদ, মুফাসসির, মুহাদ্দিস , ফকীহ, ইমামদের তালিকা যিনার পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার ব্যাপারে ফতোয়া দিয়েছেন, নিজেরা পালন করেছেন এবং সবাইকে করতে বলেছেন !!
অর্থাৎ এ মহান আমলটির ব্যাপারে সবাই ঐক্যমত্য স্থাপন করেছেন !
আর এই ইজমা বা ঐক্যমত্যের ব্যাপারে হাদীস শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে  —

ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗﺎﻝ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻻ ﻳﺠﻤﻊ ﺍﻣﺘﻲ ﺍﻭ ﻗﺎﻝ ﺍﻣﺔ ﻣﺤﻤﺪ ﻋﻠﻲ ﺿﻼﻟﺔ ﻭ ﻳﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻭﻣﻦ ﺷﺬ ﺷﺬ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺎﺭ

অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত, তিনি বলেন, রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক আমার উম্মত অথবা তিনি বলেছেন, উম্মতে মুহম্মদী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে কখনো গোমরাহীর ওপর একত্রিত করবেন না ! আল্লাহ পাক এর সাহায্যের হাত জামাতের (আহলে সুন্নাহ) উপর রয়েছে ! আর যে ব্যক্তি জামাত থেকে (আহলে সুন্নাহ) বিচ্ছিন্ন হবে সে জাহান্নামে যাবে !”
(মিশকাত শরীফ- কিতাবুল ঈমান- বাবুল ই’তিসাম বিল কিতাব ওয়াস সুন্নহ- হাদীস ১৬৩, তিরমীযি শরীফ)
হাদীস শরীফে আরো ইরশাদ হয়-

ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ ﺻﻠﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﺍﺗﺒﻌﻮﺍ ﺍﻟﺴﻮﺍﺩ ﺍﻻﻋﻈﻢ ﻓﺎﻧﻪ ﻣﻦ ﺷﺬ ﺷﺬ ﻓﻲ ﺍﻟﻨﺮ

অর্থ : ‘নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা বড় দলের অনুসরন করো। কারন যে জামাত ( আহলে সুন্নাহ) হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তাকে পৃথক ভাবে অগ্নীতে নিক্ষেপ করা হবে।’
(মিশকাত শরীফ- কিতাবুল ঈমান-বাবুল ই’তিসাম বিল কিতাব ওয়াস সুন্নাহ – হাদীস ১৬৪)
উক্ত হাদীস শরীফ সমূহ থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত উনার ঐক্যমত্যের উপর আমাদের থাকতে হবে। বড় দল বা সকল ইমাম মুস্তাহিদগন উনার যেদিকে রায় দিয়েছেন সে পথ থেকে কেউ সরে গেলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার উপর থাকতে পারবে না, সে জাহান্নামী হবে।

এবার আসুন আমরা দেখি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত উনার যে সমস্ত ইমাম,মুস্তাহিদ,মুফাসসির,মুহাদ্দিস,ফকীহ,মুফতী রহমতুল্লাহি আলাইহিমগন পবিত্র মীলাদ শরীফ এবং ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন এবং পালন করার তাগীদ করছেন উনাদের নাম মুবারকের তালীকা। এগুলা ছাড়াও আরো অসংখ্য নাম রয়েছে।
নিম্নে তালিকা টি দেয়া হলো-
(১) ইমামুশ শরীয়াত ওয়াত ত্বরীকাত, ইমাম হাসান বসরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২) আল ইমামুল আকবার,শাফেয়ী মাযহাব উনার ইমাম, ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩) বিখ্যাত ফক্বীহ, বিশিষ্ট ওলী হযরত মারুফ কারখী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪) ওলীয়ে কামেল হযরত সাররী সাক্বতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫) সাইয়্যিদুত ত্বয়িফা হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৬) তাজুল মানতেকীন, ইমাম ফখরুদ্দীন রাজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৭) সুলত্বনুল আরেফীন, হাফিজে হাদীস, জালালুদ্দিন সূয়ুতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৮) হাফিজে হাদীস, ইবনে হাজার আসক্বালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৯) ইমাম শামসুদ্দিন মুহম্মদ ছাখাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১০) ইমামুল মুহাদ্দিসিন, মোল্লা আলী কারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১১) ইমামুল মুহাদ্দিসিন, শায়েখ আব্দুল হক মুহাদ্দিস দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১২) ইমামুল মুহাদ্দিসিন, শায়েখ ইবনে হাজর হায়ছামী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১৩) হাফিজে হাদীস, ইমাম হযরত জাওজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১৪) হাফিজে হাদীস,হযরত আল্লামা কুস্তালানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১৫) মুজাদ্দিদে জামান,সুলত্বনুল আওলীয়া, মুজাদ্দিদে আলফে সানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১৬) ইমাম, হযরত আলী ইবনে ইব্রাহীম রহমাতুল্লাহি আলাইহি ( সিরাতে হলবীয়া)
(১৭) মুহাদ্দিস , আল্লামা জাযরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(১৮) হাফিজে হাদীস, বিখ্যাত মুহাদ্দিস আল্লামা মুহম্মদ ইবনে ইউসুফ আশশামী রহমতুল্লাহি আলাইহি
(১৯) হযরতুল আল্লামা,ইমাম, বারজানজী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২০) হাফিজে হাদীস, আবু মুহম্মদ আব্দুর রহমান ইবনে ইসমাঈল রহমাতুল্লাহি আলাইহি [ ইমাম নববীর ওস্তাদ]

(২১) ইমামমুল মুহাদ্দেসীন, মুজাদ্দিদে জামান শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২২) ইমামুল মুহাদ্দিসীন, শায়েখ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিস দেহলবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৩) শায়েখ আল্লামা তাহের জামাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৪) বিখ্যাত মুহাদ্দিস, হযরত তকি উদ্দিন সুবকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৫) মুহাদ্দিস , ইমামুল আল্লামা, নাসিরুদ্দিন মোবারক ইবনে বাতাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৬) শায়খুল ইমাম, জামাল উদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল মালেক রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৭) ইমামুল আল্লামা, জহীর উদ্দিন ইবনে জাফর রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৮) শায়েখ, হযরত নাসিরুদ্দিন তায়লাসী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(২৯) শায়খুল ইমাম, আল্লামা সদরুদ্দীন মাওহূূব ইবনে উমর রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩০) হযরত আল্লামা শায়েখ জামাল উদ্দীন ওরফে মির্জা হাসান মুহাদ্দিস লক্ষৌভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩১) শায়েখ, মুফতী মুহম্মদ সাআদুল্লাহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩২) শায়খুল ইসলাম, হাফিজে হাদীস, হযরত আব্দুল ফজল আহমদ ইবনে আলী ইবনে হাজর রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৩) উমদাতুল মুফাসসিরিন হযরত শাহ আব্দুল গনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৪) হাফিজে হাদীস, হযরত জুরকানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৫) পবিত্র মক্কা শরীফ এর হানাফী মুফতি শায়েখ জামাল রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৬) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার হানাফী মুফতী শায়েখ আব্দুর রহমান সিরাজ রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৭) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মালেকী মাযহাবের মুফতী হযরত রহমাতুল্লা
(৩৮) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাফেয়ী মাযহাবের মুফতি মুহম্মদ সাঈদ ইবনে মুহম্মদ আবসীল রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৩৯) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার হাম্বলী মাযহাবের মুফতি খালফ ইবনে ইব্রাহিম রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪০) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মালেকী মাযহাবের মুফতি আল্লামা আবু বকর হাজী বাসাউনী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪১) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার হাম্বলী মাযহাবের মুফতী শায়েখ মুহম্মদ ইবনে হামীদ রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪২) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার হাম্বলী মাযহাবের মুফতী মুহম্মদ ইবনে ইয়াহইয়া রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৩) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার মালেকী মাযহাবের মুফতী হযরত মাওলানা হুসাইন ইবনে ইব্রাহীম রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৪) পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাফেয়ী মাযহাবের ফতোয়া বোর্ডের সভাপতি শায়েখ মুহম্মদ উমর ইবনে আবু বকর রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৫) শায়েখ উছমান হাসান দিমইয়াতী শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৭) মদীনা শরীফ উনার হানাফী মুফতি মুহম্মদ আমীন রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৮) মদীনা শরীফ উনার শাফেয়ী মুফতি, শায়েখ জাফর হুসাইন রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৪৯) মদীনা শরীফ উনার হাম্বলী মুফতি আব্দুল জব্বার রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫০) মদীনা শরীফ উনার মালেকী মাযহাবের মুফতি মুহম্মদ শরকী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫১) হাফিজে হাদীস, শামসুদ্দীন ইবনে নাসিরুদ্দিন দামেস্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫২) ইমামুল মুফাসসিরিন,শায়েখ ইসমাঈল হাক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৩) পীরে কামেল, মুজাদ্দিদে জামান, আবু বকর সিদ্দিক ফুরফুরাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৪) মুফতীয়ে আযম,হাফিযে হাদীস রুহুল আমীন বশিরহাটি রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৫) হাদীয়ে বাঙ্গাল, কারামাত আলী জৌনপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৬) মুফতিয়ে আযম, আমীমুল ইহসান মুজাদ্দেদী বরকতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৭) শায়েখ হাজী ইমদাদুল্লাহ মুহাজির মক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৮) শায়েখ, হাফিয আবুল খাত্তাব ইবনে দাহিয়্যা রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৫৯) হাফিযে হাদীস, শায়েখ ইবনে হাজর মক্কী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৬০) শায়েখ আল্লামা আবুল ক্বাসিম মুহম্মদ বিন উছমান রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৬১) শায়েখ মাওলানা সালামাতুল্লাহ ছিদ্দীক কানপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৬২) হযরত বেশরাতুল্লাহ মেদেনীপুরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি
(৬৩) শায়েখ হাফিজ , আব্দুল হক এলাহাবাদী রহমাতুল্লাহি আলাইহি

দলীল এবং কিতাব সমূহের নামঃ
√সবহুল হুদা ফি মাওলিদিল মুস্তফা
√আল হাভী লিল ফতোয়া
√মাওয়াহেবুল লাদুন্নিয়া
√ওয়াসিল ফি শরহে শামায়িল
√মাসাবাতা বিছ সুন্নাহ
√কিতাবুল তানবীর ফি মাওলুদুল বাশির ওয়ান নাজির
√আন নি’মাতুল কুবরা
√মাওলুদুল কবীর
√ইশবাউল কালাম
√খাসায়েছে কুবরা
√মাকতুবাত শরীফ
√দুররুল মুনাজ্জাম
√হাক্বীকতে মুহম্মদী মীলাদে আহমদী
√মজমুয়ায়ে ফতোয়া
√তাফসীরে রুহুল বয়ান
√জামিউল ফতোয়া
√ফতোয়ায়ে বরকতী
√সীরাতে শামী
√সীরাতে নববী
√যুরকানী আলাল মাওয়াহেব
√সুবহুল হুদা ওয়ার রাশাদ
√মিয়াতে মাসাঈল
√আশ শিফা
√আল মুলাখখ্যাছ
√জাওয়াহিরুল মুনাজ্জাম
√আল ইনসানুল উয়ুন
√আস সুলুকুল মুনাজ্জাম
√নুজহাতুল মাজালিস
√আল ইনতেবাহে সালাসিল আওলিয়া
√হাফতে মাসায়িল
√কিয়ামুল মিল্লাহ
√সীরাতে হলবীয়া
√মাজমায়ুল বিহার
√মাওয়ারেদে রাবী ফী মাওলিদিন নবী
√ফুয়ুযুল হারামাঈন
√আরফুত তারীফ ফী মাওলিদিশ শরীফ
√আল ইহতিফাল বিযিকরী মাওলুদুন নাবীয়িশ শরীফ
√সিরাজুম মুনীরা
√শামায়েলে এমদাদীয়া
এছাড়াও আরো হাজার হাজার ইমাম,মুস্তাহিদ,মুহাদ্দিস , মুফাসসির, ফকীহ আছেন যিনারা নিজেরা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন এবং পালন করতে উৎসাহিত করেছেন।
এবং পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার হুকুম সম্পর্কে দলীল আদিল্লা দিয়ে কিতাব রচনা করেছেন।

অথচ এর বিপরীতে একজন আলেম,ওলামা উনাদের কোন বক্তব্য, লিখনী, ফতোয়া কেউ দেখাতে পারবে না। শুধু তাই না, এই বিষয়ে ইজমা সম্পর্কে বর্নিত আছে –

ﻗﺪ ﺍﺟﻤﻌﺖ ﺍﻻﻣﺖ ﺍﻣﺤﻤﺪﻳﺔ ﻣﻦ
ﺍﻻﻫﻞ ﺍﻟﺴﻨﺔ ﻭﺍﻟﺠﻤﺎﻋﺔ ﻋﻠﻲ ﺍﺳﺘﺤﺴﺎﻥ
ﺍﻟﻘﻴﺎﻡ ﺍﻟﻤﺬﻛﻮﺭ ﻭﻗﺎﻝ ﻋﻠﻴﻪ ﺍﻟﺴﻼﻡ ﻻ
ﺗﺠﺘﻤﻊ ﺍﻣﺘﻲ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻀﻼﻟﺔ
অর্থ: উম্মতে মুহম্মদি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের সকল আলেমগন মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ মুস্তহাসান হওয়ার ব্যাপারে ইজমা বা ঐক্যমত পোষন করেন। আর নবী পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,আমার উম্মত (আলেম গন) কখনোই গোমরাহীর উপর একমত হবে না।”
(ইশবাউল কালাম ৫৪ পৃষ্ঠা)
সূতরাং এতজন ইমাম, মুস্তাহিদ, মুহাদ্দিস , মুফাসসির, ফকীহ উনাদের বিরোধীতা করে তাদের ঐক্যমত্যের বিরুদ্ধে কথা বলবে,বা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিরোধিতা করবে তারা আর যাইহোক মুসলমান হতে পারে না। তারা কুরআন শরীফে বর্নিত রায় অনুযায়ী জাহান্নামী হবে।
সেটা আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন —

وَمَن يُشَاقِقِ الرَّسُولَ مِن بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُ الْهُدَىٰ وَيَتَّبِعْ غَيْرَ سَبِيلِ الْمُؤْمِنِينَ نُوَلِّهِ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصْلِهِ جَهَنَّمَ

অর্থ: যে কারো নিকট হিদায়েত বিকশিত হওয়ার পর রসূল পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বিরুদ্ধাচরণ করবে, আর মু’মিনদের পথ ছেড়ে ভিন্ন পথে চলে, আমি তাকে সে দিকেই ফিরাবো যেদিকে সে ফিরেছে, এবং তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবো । !”( পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৫)

সূতরাং যারা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করবে এবং এ ব্যাপারে মু’মিনদের ঐক্যমত্য অস্বীকার করে ভিন্ন পথ অনুসরণ করবে তার গন্তব্য জাহান্নামই হবে!