ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ, যে ঈদের জন্য সম্মানিত শরীয়ত উনার মধ্যে খুৎবা নামাজ স্বর্থযুক্ত নয়।

অনেক জাহেল প্রকৃতির লোকেরা বলে থাকে ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলিাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদে হলে এই ঈদে নামাজ কত? এই মূর্খদের নিকট আমাদের প্রশ্ন ঈদ হলে তার সাথে নামাজ থাকতে হবে এমন শর্ত শরীয়তে কোথায় আছে?

অথচ পবিত্র সহীহ হাদীস শরীফ উনার থেকে প্রমানিত যে জুমুয়ার দিন ঈদের দিন। আমি প্রশ্ন করবো এই ঈদে নামাজ কত রাকাত?? চালাকী করে হয়তো বলতে পারেন জুমুয়ার নামাজই হচ্ছে ঈদের নামাজ। এই চালাকীর জবাব আগেই দিয়ে দিই, জুমুয়ার নামাজ ঈদের নির্দিষ্ট নামাজ নয়। বরং যোহরের স্থলাভিষিক্ত এই নামাজ। যোহরের ৪ রাকাত ফরজের পরিবর্তে ২ রাকাত নামাজ পড়া হয়। আর বড় কথা হচ্ছে দুই ঈদ বা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাজ সকালে পড়া হয়। তাহলে জুমুয়ার দিন ঈদের দিন হওয়ার পর সকালে ঈদের নামাজ পড়া হয় না কেন?

পবিত্র তিরমিযী শরীফ এ আছে, আরাফার দিন অর্থাৎ ৯ যিলহজ্জ ঈদের দিন। এখন জবাব দিন ৯ যিলহজ্জ আরাফার দিন ঈদের কোন নামাজ আপনারা পড়েন? এর পর আইয়ামে তাশরীক ১১-১৩ যিলহজ্জও ঈদের দিন।  (পবিত্র তিরমিযী শরীফ) এই ঈদের দিনে কত রাকাত নামাজ পড়েন?

কোন মুসলমানের সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার কানে আযান-ইকামত দেয়া হয়। কিন্তু এই আযান-ইকামতের পরে কোন নামায আদায় করা হয় না কেন? মুসলমানদের বিবাহের অনুষ্ঠানে খুৎবা পাঠ করা হয় কিন্তু খুৎবার আগে বা পরে কোন নামায আদায় করা হয় না কেন?

বরং ঈদের নামাজ কয় রাকাত বলে তারা বিদয়াতের জন্ম দিচ্ছে। ঈদ হলে তার সাথে নামাজ সংশ্লিষ্ট নয়। শুধু ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনের জন্য নামাজকে খাছ করা হয়েছে, অন্যসব ঈদের জন্য নয়। সূতরাং এমন বিভ্রান্তি মূলক প্রশ্ন তুলে সাধারণ লোকদের ধোঁকা দেয়ার অপচেষ্টা করা কখনোই উচিত হবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ধোঁকাবাজদের পছন্দ করেন না।